Main Menu

বঙ্গবন্ধু ছিলেন মানবদরদী একজন সোনার মানুষ

SHA_5121

বিশেষ প্রতিনিধি, মাগুরাবার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
‘মানব সেবা ও শিক্ষায় বঙ্গবন্ধুর ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা ও দোয়া মাহফিল করেছে  ঢাকাস্থ আগারগাঁও বাংলাদেশ লায়ন্স ফাউন্ডেশনে লায়ন্স ক্লাবস ইন্টারন্যাশনাল মাল্টিপল জেলা ৩১৫ ।
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪২তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশবরেণ্য আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন লায়ন ব্যক্তিত্ব পাস্ট ইন্টারন্যাশনাল ডাইরেক্টর শেখ কবির হোসেন এমজেএফ। অনুষ্ঠানে মানব সেবা ও শিক্ষায় বঙ্গবন্ধুর ভাবনা এ সম্পর্কিত মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন মেজর জেনারেল (অবঃ) লায়ন এম এ রশিদ।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় লায়ন শেখ কবির হোসেন বলেন, জাতিরজনক বঙ্গবন্ধুর একটি দরদি মন ছিল। আমি খুব কাছ থেকে তাঁকে দেখার সুযোগ হয়েছিল। আমি ছিলাম বঙ্গবন্ধুর পারিবারিক একজন সদস্য। বঙ্গবন্ধুর শৈশব, কিশোর বয়সের সকল কর্মকান্ডে আমি ছিলাম একজন প্রত্যক্ষদর্শী। এখনও মনে পড়ে বঙ্গবন্ধুর শৈশবের দিনগুলোর কথা। সেই অতীত জীবনের কথা এতটুকু আমি ভুলিনি। তিনি মানুষকে অন্তর দিয়ে ভালবাসতেন। তাঁর কাছে অতিপ্রিয় ছিল এই দেশের মানুষ। তাঁর ভাবনায় স্থান পেয়েছিল দেশকে উন্নতি করতে হলে, সবার আগে দরকার শিক্ষা। শিক্ষাই দেশকে সমৃদ্ধি দিতে পারে। বঙ্গবন্ধু সমগ্র জীবন ধরেই প্রতিটি কর্মকান্ডের নেপথ্যে ছিল  শিক্ষা ও মানব সেবা এবং মানুষের কল্যাণ। তিনি ছিলেন একজন সত্যিকারের সোনার মানুষ।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন দেশের খ্যাতিমান শিক্ষা ও লায়ন ব্যক্তিত্ব লায়ন্স ক্লাবস ইন্টারন্যাশনাল  মাল্টিপল জেলা ৩১৫ বাংলাদেশ এর কাউন্সিল চেয়ারপার্সন লায়ন এম কে বাশার পিএমজেএফ, এসসিএ। সভাপতির বক্তৃতায় তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমগ্র জীবনই ছিল ‘শিক্ষা ও মানব সেবার’ উৎকৃষ্ট উদাহরণ। বাঙ্গালী জাতি বিশ্বের বুকে মাথা উচু করে দাঁড়ার জন্য তিনি শিক্ষাকে সবার ওপরে স্থান দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে ৭০ এর স্বাধীনতা সংগ্রাম, ১৯৭২-এ দেশকে একটি পূর্ণাঙ্গ সংবিধান প্রদান, ৭৩-এ বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ জারি, এবং নিরক্ষরমুক্ত বাংলাদেশ, নারী শিক্ষা, মাদ্রাসাশিক্ষাসহ শিক্ষায় আধুনিকীকরণ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল। বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্নের পথ ধরে জাতি আজ এগিয়ে যাচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু শিক্ষার খাতে উন্নয়নের জন্য ১৯৭২ সালে ৩৬ হাজার স্কুলকে অবৈতনিক করেছিলেন। শিক্ষার উন্নয়নে তিনি ড. কুদরত-ই খুদা কমিশন গঠন করেন এবং ৫১ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্ধ করেন।  বিশ্বের খ্যাতিমান শিক্ষা দার্শনিক সক্রেটিস, এ্যারিস্টোটল, প্ল্যাটো এবং রবীন্দ্রনাথের মতো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানেরও শিক্ষা নিয়ে ভাবনা ছিল।  তিনি বলতেন, ‘সুষ্ঠু সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য শিক্ষা খাতে উৎকৃষ্ঠ বিনিয়োগ আর কিছু হতে পারে না’।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন জিএমটি এরিয়া লিডার লায়ন স্বদেশ রঞ্জন সাহা, বিএলএফ চেয়ারম্যান পিসিসি এ কে এম রেজাউল হক, পিডিজি ফোরামের চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম মোল্লাসহ বিভিন্ন জেলার গভর্ণরগণ।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের ছয়টি লায়ন জেলার গভর্ণর, ভাইস জেলা গভর্ণর, প্রাক্তন গভর্ণর, সিনিয়র লায়ন লিডার, লায়ন্স ক্লাবের নেতৃবৃন্দ এবং লিও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা পর্বের পর দোয়া মাহফিল ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকা/ প্রেস বিজ্ঞপ্তি

 






Comments are Closed