Main Menu

মাগুরার মহিউদ্দিন পেলেন ঢাবির রাষ্ট্রপতি সম্মাননা

IMG-20221119-WA0046(1)

অনলাইন প্রতিবেদক, মাগুরাবার্তা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩ তম সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি স্বর্ণপদক পেলেন মাগুরার মেধাবী শিক্ষার্থী শেখ মহিউদ্দিন সাহরুজ্জামান। মহিউদ্দিন মাগুরা জেলার পারনান্দুয়ালি গ্রামের বাসিন্দা। বাবা শেখ মোহাম্মদ আলী ও মা সালেহা বেগমের সবথেকে ছোট সন্তান তিনি। ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ থেকে এইচ এস সি শেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৬-১৭ সেশনে ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এন্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ বিভাগে স্নাতক পড়তে ভর্তি হন মহিউদ্দিন। স্নাতক পরীক্ষায় প্রথম হয়ে তিনি এ সাফল্য অর্জন করেন।
১৯ নভেম্বর, ২০২২ অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩ তম সমাবর্তনে তাকে স্বর্ণপদক প্রদান করেন বাংলাদেশ সরকারের মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মো. আব্দুল হামিদ । অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ডক্টর জঁ তিরোল। এছড়াও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এসএম মাকসুদ কামালসহ বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও ব্যক্তিবর্গ।
পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা ও ভ্রমণে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে মহিউদ্দিনের। সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ও তার পদাচার প্রশংসনীয়। শিশু শিল্পী হিসেবে বিভিন্ন জাতীয় প্রতিযোগিতায় তিনি অসংখ্য পুরস্কার লাভ করেছেন। এছাড়াও তিনি যুক্ত আছেন বিভিন্ন জনসেবামূলক সামাজিক সংগঠনের সাথে। বর্তমানে তিনি একই ইনস্টিটিউটে স্নাতকোত্তর পড়ছেন। পড়ালেখা শেষ করে তিনি গবেষণায় মনোযোগ দিতে চান।
মহিউদ্দিন বলেন , “এটি আমার জীবনের অনেক বড় একটি অর্জন। আমার এই সাফল্যের জন্য প্রথমেই শুকরিয়া আদায় করছি সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে যিনি আমাকে জ্ঞান, শক্তি, ধৈর্য ও সাহস দিয়েছেন। বাবা-মা সবসময় আমাকে সমর্থন দিয়েছেন। তাদের ভালোবাসায় আমি এতদূর আসতে পেরেছি। আমি কৃতজ্ঞ আমার শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কাছে তাদের সার্বক্ষণিক অনুপ্রেরণা ও দিকনির্দেশনার জন্য। ধন্যবাদ দিতে চাই আমার বোন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবীসহ যারা আমাকে সবসময় উৎসাহ দিয়েছেন। আমার সাফল্য ক্যাডেট কলেজের অবদান অস্বীকার করার উপায় নেই। ক্যাডেট কলেজ শিক্ষা ও দক্ষতার যে ভিত তৈরি করে দিয়েছে তা আমাকে প্রত্যেকটা পদক্ষেপে সুন্দর ও সাবলীলভাবে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছে। আমি বিশ্বাস করি এই স্বীকৃতি আমাকে আরো বহুদূর এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা দিবে। আমি সকলের কাছে দোয়াপ্রার্থী।”

রূপক /মাগুরা / ১৯ নভেম্বর ২২






Comments are Closed