Main Menu

ডিসি ও টিএনও সাহেবের সহযোগিতা কামনা

সত্তরেও বয়স্ক ভাতা পাননি মহম্মদপুরের হতদরিদ্র ননি গোপাল

119885354_3437150726365422_3390719329970895134_n

বিশেষ প্রতিনিধি, মাগুরাবার্তা
কারও দুয়োরে যাতি বাকি রাখিনি গো বাবা। কিন্তু বয়স্ক ভাতা আজও জুটিনি কপালে। কি জানি দোষ আমার নাকি আমার কপালের ! কিছুই কতি পারিনে। আর কত বয়স হলি বয়স্ক ভাতা পাওয়া যাবি গো ? প্রশ্ন ছুড়ে দেন মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার রুইজানি গ্রামের নদী ভাঙ্গনে ভূমিহীন কৃষক ননী গোপাল মন্ডল। বয়স ৭০ ছাড়িয়েছে তবুও বয়স্ক ভাতা না পেয়ে আক্ষেপের শেষ নেই তার।  নিজের ছোট্ট বাড়ির আঙ্গিনায় সবজি চাষ করা আর এলাকা থেকে সবজি সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করে সংসার চালান হত দরিদ্র ননি গোপাল।
ননি গোপাল জানান- নিজে সবজি বিক্রি করে আর ছেলে মধুমতি নদীতে মাছ ধরে সামান্য যা আয় হয় তা দিয়ে কষ্টে সৃষ্টে সংসার চলে তার। সরকার গরীব ও বয়স্কদের ভাতা দিচ্ছে জেনে তিনি অনেকবারই স্থানীয় জন প্রতিনিধিদের মাধ্যমে দরখাস্ত করে বিফল হয়েছেন। এ অবস্থায় তিনি জেলা প্রশাসক ও মহম্মদপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয়ের দৃস্টি আকর্ষণ করে বয়স্ক ভাতা পেতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বয়স্ক ভাতা পেলে এই বয়সে একটু হলেও জীবন যাপন সহজ হতো। ডিসি স্যার আর টিএনও স্যার যদি একটু দেখতেন তাইলে হয়তো আমার বয়স্ক ভাতাটা হয়ে যেত।

মাগুরা/২২ সেপ্টেম্বর ২০২০






Comments are Closed